সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে স্ত্রীর মরদেহ নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে বাড়ি ফিরছিলেন ফরিদুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন। তবে ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিথা এলাকায় পৌঁছানোর পর অ্যাম্বুলেন্সের চাকা ফেটে যাওয়ায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এরপর অ্যাম্বুলেন্সটি সড়কের পাশে থাকা একটি গাছে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ফরিদুল।
আজ বুধবার দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত ফরিদুল ইসলামের বয়স ছিল ৩৪ বছর। তিনি পাবনা সদর উপজেলার রাজাপুর এলাকার বাসিন্দা হলেও কর্মসূত্রে ঢাকায় বসবাস করতেন। তাঁর স্ত্রীর বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলার ধানকোড়া গ্রামে।
গোলড়া হাইওয়ে থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে স্ত্রীর মরদেহ নিয়ে মানিকগঞ্জের ধানকোড়া গ্রামে যাচ্ছিলেন ফরিদুল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে অ্যাম্বুলেন্সটির চাকা বিস্ফোরিত হয়। এতে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আরিচামুখী লেন থেকে ঢাকামুখী লেনে গিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান ফরিদুল ইসলাম।
এ দুর্ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্সে থাকা অপর দুই ব্যক্তি, হেনা খাতুন এবং রাইসুল ইসলাম, আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। ঘটনার খবর পেয়ে গোলড়া হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফরিদুলের মরদেহ উদ্ধার করে।
গোলড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রূপল চন্দ্র দাস গণমাধ্যমকে বলেন, মরদেহ দাফনের উদ্দেশ্যে সুলতানার বাবার বাড়ি মানিকগঞ্জের ধানকোড়া গ্রামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তবে বালিথা এলাকায় এসে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় পতিত হয়। এতে সুলতানার স্বামী ফরিদুলও প্রাণ হারান। উভয় পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।